অ্যাপলের অজানা তথ্য:-




১৯৭৬ সালের ১ এপ্রিল যাত্রা শুরু করে জনপ্রিয় প্রযুক্তিযন্ত্র নির্মাতা অ্যাপল ইনকরপোরেটেডের। চলুন জেনে নেওয়া যাক অ্যাপল সম্পর্কে অজানা অথচ কৌতূহল-উদ্দীপক কিছু তথ্য।

১. স্টিভ জবসের ‘অ্যাপল’ নামটি বেছে নেওয়ার পেছনে কারণ ছিল দুটি। প্রথমত, ওই সময়টায় স্টিভ জবস ফল খেয়ে ডায়েট করছিলেন। কম্পিউটার নামটির কঠিনভাব দূর করতেই নাকি ‘অ্যাপল’ বেছে নেন তিনি। দ্বিতীয়ত, জবস চেয়েছিলেন গেম নির্মাতা প্রতিষ্ঠান আটারির চেয়ে ফোনবুকে তাঁর প্রতিষ্ঠানটি ওপরের দিকে থাকুক।
২. অ্যাপলের জনপ্রিয় সব পণ্যের শুরুতে ‘আই’ বর্ণটি এসেছে ‘ইন্টারনেট’ থেকে।
৩. যাত্রা শুরুর ১২ দিনের মাথায় নিজের শেয়ার মাত্র ৮০০ ডলারে বিক্রি করে দেন রোনাল্ড ওয়েন। এখন সেই শেয়ার থাকলে তার বাজারমূল্য হতো ৬ হাজার কোটি ডলার!

৪. গত বছর অ্যাপল বিক্রি করেছে ২০ কোটিরও বেশি আইফোন। অর্থাৎ প্রতি সেকেন্ডে ৬ দশমিক ৪টি আইফোন বিক্রি হয়েছে।
৫. অ্যাপলের ‘থিংক ডিফারেন্ট’ স্লোগানটিকে অনেকেই ব্যাকরণের দিক দিয়ে ভুল বলে দাবি করলেও, জবস চেয়েছেন অর্থটা ‘ভিন্নভাবে ভাবুন’ না হয়ে হোক ‘ভিন্ন কিছু ভাবুন’।
৬. অ্যাপলের অ্যাপ স্টোরে আছে ১৫ লাখের মতো অ্যাপ। এর মাঝে অন্তত হাজার খানেক অ্যাপ আছে, যেগুলো একবারও নামানো হয়নি!
৭. আইফোনের সব বিজ্ঞাপনে সর্বদা ৯টা ৪১ মিনিট দেখানো হয়। পেছনের কারণ, ২০০৭ সালে এই সময়টাতেই স্টিভ জবস প্রথম আইফোনের মোড়ক উন্মোচন করেছিলেন।
৮. বাকি সব ঘড়িতে ১০টা ১০ মিনিট দেখানো হলেও অ্যাপলের স্মার্টঘড়িতে ১০টা ৯ মিনিট দেখানো হয়। কারণ অ্যাপল বোঝাতে চায়, এটি অন্য সব অ্যানালগ নির্মাতার চেয়ে এক মিনিট এগিয়ে।
৯. অ্যাপল কম্পিউটারের আশপাশে ধূমপান করলে এর ওয়ারেন্টির মেয়াদ শেষ হয়ে যেতে পারে!
১০. অ্যাপলের প্রথম লোগোটিতে দেখা যায় বিজ্ঞানী স্যার আইজ্যাক নিউটন অ্যাপল গাছের নিচে বসে আছেন। এর নকশাকার ছিলেন রোনাল্ড ওয়েন। কিন্তু জবসের কাছে এটি জটিল বলে মনে হয়। ফলে এর বদলে এক কামড় দেওয়া একটি রংধনু রঙের আপেল লোগো হিসেবে ব্যবহার করেন।
দেব দুলাল গুহ। সূত্র: দ্য টেলিগ্রাফ
Reviewed by Sajeeb on November 03, 2017 Rating: 5

No comments:

ads
Theme images by Jason Morrow. Powered by Blogger.