জেনে নিন মার্ক জুকারবার্গ এর অজানা তথ্য:-
সামাজিক নেটওয়ার্ক সাইট ফেসবুক খুবই জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। এর
বদৌলতে সামাজিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে ব্যাপক পরিবর্তন সূচিত হয়েছে। এর
ব্যবহারকারীর সংখ্যাও কম নয়। ২০১০ সালে ফেসবুকের ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৫০
কোটি ছাড়িয়ে গেছে। তবে ফেসবুক প্রতিষ্ঠায় একজনের অবদান অগ্রগণ্য। তিনিই বা
কে? কি বা তার পরিচয়। আসুন এবার জেনে নিই সমগ্র বিশ্বকে একই নেটওয়ার্কের
আওতায় এনে একে অপরের সহিত সামাজিক মেলবন্ধনে আবদ্ধ হতে পারে, তাদের
পরস্পরের মধ্যে ভাব-বিনিময়ে গড়ে ওঠতে পারে একই সমাজ এই ধারণা থেকে ২০০৪
সালের ৪ঠা ফেব্রুয়ারী ফেসবুক প্রতিষ্ঠা করেন সেই মার্ক এলিয়ট জুকারবার্গ
সম্পর্কে:
বদৌলতে সামাজিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে ব্যাপক পরিবর্তন সূচিত হয়েছে। এর
ব্যবহারকারীর সংখ্যাও কম নয়। ২০১০ সালে ফেসবুকের ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৫০
কোটি ছাড়িয়ে গেছে। তবে ফেসবুক প্রতিষ্ঠায় একজনের অবদান অগ্রগণ্য। তিনিই বা
কে? কি বা তার পরিচয়। আসুন এবার জেনে নিই সমগ্র বিশ্বকে একই নেটওয়ার্কের
আওতায় এনে একে অপরের সহিত সামাজিক মেলবন্ধনে আবদ্ধ হতে পারে, তাদের
পরস্পরের মধ্যে ভাব-বিনিময়ে গড়ে ওঠতে পারে একই সমাজ এই ধারণা থেকে ২০০৪
সালের ৪ঠা ফেব্রুয়ারী ফেসবুক প্রতিষ্ঠা করেন সেই মার্ক এলিয়ট জুকারবার্গ
সম্পর্কে:
নাম: মার্ক এলিয়ট জুকারবার্গ
জন্ম: ১৪ মে ১৯৮৪ সাল।
জন্মস্থান: ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্র।
জাতীয়তা: আমেরিকান।
পেশা: ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রধান নির্বাহী।
শিক্ষাজীবন: স্কুলে পড়াশুনাকালীন তিনি কম্পিউটার ব্যবহার শুরু করেন এবং
অত্যন্ত দক্ষতার পরিচয় দেন। ১৯৯০ সালে জুকারবার্গ পিতার নিকট বেসিক
প্রোগ্রামিং শিক্ষা লাভ করেন। তিনি কম্পিউটার প্রোগ্রামিং বেশ উপভোগ করতেন।
জুকারবার্গ মেরি কলেজ থেকে গ্রাজুয়েট কোর্স সম্পন্ন করেন। তিনি জিউকনেট
‘ZuckNet’ নামে একটি কম্পিউটার প্রোগ্রাম উন্নয়ন করলেন যা বাসা হতে পিতার
অফিসে যোগাযোগ করতে সক্ষম ছিল। তিনি শিশুদের জন্য কম্পিউটার গেম তৈরি
করেছিলেন। ২০০২ সালে হাভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যায়ন শুরু করেন। এখানে
অধ্যায়ন কালীন সময়ে ২০০৪ সালে তিনি ফেসবুক প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।
অত্যন্ত দক্ষতার পরিচয় দেন। ১৯৯০ সালে জুকারবার্গ পিতার নিকট বেসিক
প্রোগ্রামিং শিক্ষা লাভ করেন। তিনি কম্পিউটার প্রোগ্রামিং বেশ উপভোগ করতেন।
জুকারবার্গ মেরি কলেজ থেকে গ্রাজুয়েট কোর্স সম্পন্ন করেন। তিনি জিউকনেট
‘ZuckNet’ নামে একটি কম্পিউটার প্রোগ্রাম উন্নয়ন করলেন যা বাসা হতে পিতার
অফিসে যোগাযোগ করতে সক্ষম ছিল। তিনি শিশুদের জন্য কম্পিউটার গেম তৈরি
করেছিলেন। ২০০২ সালে হাভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যায়ন শুরু করেন। এখানে
অধ্যায়ন কালীন সময়ে ২০০৪ সালে তিনি ফেসবুক প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।
আর এই সময় মার্ক জুকারবার্গ পড়াশুনার পাঠ চুকিয়ে দিলেন। কিন্তু হাভার্ডে
বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যায়ন সমাপ্ত করতে না পারলেও তিনি ঠিকই অপ্রতিরোধ্য
গতিতে ফেসবুককে এগিয়ে নিয়ে গেলেন। ফলে এই ফেসবুক একদিন ব্যাপক জনপ্রিয়তা
লাভ করতে সক্ষম হলো।
বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যায়ন সমাপ্ত করতে না পারলেও তিনি ঠিকই অপ্রতিরোধ্য
গতিতে ফেসবুককে এগিয়ে নিয়ে গেলেন। ফলে এই ফেসবুক একদিন ব্যাপক জনপ্রিয়তা
লাভ করতে সক্ষম হলো।
ফেসবুক
ফেসবুক একটি সামাজিক নেটওয়ার্ক সাইট। এর মাধ্যমে যে কোনো ব্যবহারকারী
ইন্টারনেটে সহজেই সামাজিক যোগাযোগ করতে পারছে। আজ সামাজিক যোগাযোগের
ক্ষেত্রে ফেসবুক একটি শক্তিশালী মাধ্যম হিসেবে পরিগণিত। ফেসবুকের
প্রতিষ্ঠাতা মার্ক এলিয়ট জুকারবার্গ সেই উদ্দেশ্যেই ফেসবুক গড়ে তুলেছেন।
ফেসবুক একটি সামাজিক নেটওয়ার্ক সাইট। এর মাধ্যমে যে কোনো ব্যবহারকারী
ইন্টারনেটে সহজেই সামাজিক যোগাযোগ করতে পারছে। আজ সামাজিক যোগাযোগের
ক্ষেত্রে ফেসবুক একটি শক্তিশালী মাধ্যম হিসেবে পরিগণিত। ফেসবুকের
প্রতিষ্ঠাতা মার্ক এলিয়ট জুকারবার্গ সেই উদ্দেশ্যেই ফেসবুক গড়ে তুলেছেন।
বিশ্বে সবচেয়ে তরুণ বিলিওনিয়ার হিসেবে পরিচিত মার্ক জুকারবার্গ ব্যাপক খ্যাতি অর্জন করলেন এই ফেসবুকের সুবাদে।
প্রাপ্ত পুরষ্কার:
১. ২০১০ সালে টাইম ম্যাগাজিনের দৃষ্টিতে মার্ক জুকারবার্গ ‘পারসন অব দ্য ইয়ার’ অর্থাৎ ‘বর্ষ সেরা ব্যক্তি’ হিসেবে নির্বাচিত হন।
১. ২০১০ সালে টাইম ম্যাগাজিনের দৃষ্টিতে মার্ক জুকারবার্গ ‘পারসন অব দ্য ইয়ার’ অর্থাৎ ‘বর্ষ সেরা ব্যক্তি’ হিসেবে নির্বাচিত হন।
Reviewed by Sajeeb
on
November 03, 2017
Rating:


No comments: